তুচ্ছ কথাকাটি থেকে সূত্রপাত এবং পরে বসাবাসির মাধ্যমে সমাধান করার উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় খুলনা শহরের শিববাড়ি মোড়ে। সেখানে আগে থেকে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে রাখা অস্ত্র দিয়ে খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী (কম্পিউটার সায়েন্স) দের এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। কোপের আঘাতে ল ডিপার্টমেন্ট এর খুলনা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব শেখ তাশিক আহমেদ, সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ার শেখ ইশমাম আহমেদ গুরুতর জখম হয়। ইশমাম আহমেদ এর মাথায় কোপের গভীর জখম হয়, তার ঘাড় এবং পিঠ পেছন বরাবর চাপাতি দিয়ে বারবার কোপ দেয়া হয়। তার অবস্থা গুরুতর, ডাক্তাররা তাকে গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। তার ছোট ভাই তাশিক আহমেদের বুকে এবং পিঠে সজোরে কোপ দেয়ার ফলে পুরো শরীর রক্তে ভিজে যায় এবং তার মুখ বরাবর ধারালো অস্ত্রের হাতল দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়াও আরো চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছে, যারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হামলাকারীদের মধ্যে একজন ইমন ঢালী চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী , আরেকজন গাজী মিজানুর রহমানে সবুজ -সাতক্ষীরায় বহু মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি যার নামে একাধিক নারী ধর্ষন, অর্থ আত্মসাৎ, সাইবার অপরাধ ও লুটপাটের মামলা চলমান, আরেকজন ১৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী রাজিবুল ইসলাম এছাড়াও আরো নাম না জানা প্রায় ২০-২৫ জন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ২৬ জুলাই বেলা ১১ টা থেকে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান রাব্বি, ফরহাদ হোসেন সহ অন্য সকল শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দৃস্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে অফিসিয়াল প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেছে।
